শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
ঈশ্বরদীতে কৃষকের নায্যমূল্যে সার নিশ্চিত করতে মাঠে কৃষি কর্মকর্তা রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হলো ইউক্রেনের চার প্রদেশ আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দুই সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন চাটমোহরে বড়াল নদী রক্ষায় করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা পাবনায় বিআরটিএর সহকারী পরিচালক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে ব্রিজক্রেন স্থাপনের কাজ সম্পন্ন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে আখের সঙ্গে সাথি ফসল চাষে ভাগ্য ফিরছে কৃষকের ঈশ্বরদীতে দুপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে রাতেয় স্ত্রীকে হত্যা

সার বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতি করলে জেল-জরিমানা, ডিলারশিপ বাতিল

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিতঃ শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সারের সংকট আছে বলে মিথ্যা রটিয়ে একটি গোষ্ঠী আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। সার নিয়ে অহেতুক অস্থিরতা তৈরি করলে কেউই রেহাই পাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় নওগাঁর মহাদেবপুরে ভিমপুর এলাকায় প্রস্তাবিত রাইস সাইলো নির্মাণের মাটি ভরাট কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছরের থেকে এবার সারের বরাদ্দ এক টনও কমেনি, কিন্তু জমির পরিমাণ কমেছে। এ অবস্থায় সার সংকট হওয়ার সুযোগ নেই। এখানে সার নিয়ে প্যানিক সৃষ্টি করার চেষ্টা হচ্ছে। এ কারণে যাদের এক বস্তা সার প্রয়োজন তাঁরা দুই বস্তা সার চায়।

মন্ত্রী বলেন, যাদের সার প্রয়োজন নেই, তারাও ডিলারের কাছে গিয়ে দীর্ঘ লাইন ধরে একটা ঝামেলা তৈরি করে অঘটন ঘটনোর চেষ্টা করছে। নওগাঁয় সারের সংকট যাতে না হয় এজন্য অতিরিক্ত বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। কোথাও সারের কোনো সংকট নেই।

মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওএমএস, খাদ্যবান্ধব ও সার বিতরণের সঙ্গে কেউ অনিয়ম-দুর্নীতি করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে জেল-জরিমানা, ডিলারশিপ বাতিলসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নওগাঁয় প্রস্তাবিত অত্যাধুনিক সাইলো সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে নওগাঁয় ১৫ একর জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে প্রায় ৪৮ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি অত্যাধুনিক সাইলো। ইতোমধ্যেই সেখানে মাটি ভড়াটের কাজ শুরু হয়েছে। সাইলোটি নির্মাণ শেষ হলে খাদ্যশস্য ও নিরাপদ মজুতের পাশাপাশি এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে। অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এছাড়াও এই সাইলোতে দুই বছর পর্যন্ত চাল মজুদ রাখলে বিবর্ণ ও গুনগত মান নষ্ট হবে না বলেও জানান তিনি।

এসময় রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক হোসেন পাটোয়ারী, খাদ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. সহিদুজ্জামান, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলমগীর কবিরসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন...


এই বিভাগের আরো খবর........
.
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error: কপি করার অনুমতি নেই !
error: কপি করার অনুমতি নেই !