শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
ঈশ্বরদীতে কৃষকের নায্যমূল্যে সার নিশ্চিত করতে মাঠে কৃষি কর্মকর্তা রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হলো ইউক্রেনের চার প্রদেশ আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দুই সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন চাটমোহরে বড়াল নদী রক্ষায় করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা পাবনায় বিআরটিএর সহকারী পরিচালক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে ব্রিজক্রেন স্থাপনের কাজ সম্পন্ন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের শ্রমিকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে আখের সঙ্গে সাথি ফসল চাষে ভাগ্য ফিরছে কৃষকের ঈশ্বরদীতে দুপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে রাতেয় স্ত্রীকে হত্যা

বিরূপ আবহাওয়া, ঈশ্বরদীতে আমনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয়

বার্তাকক্ষ
প্রকাশিতঃ শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
সময় মত সেচ দিতে না পেরে কৃষকের মাথায় হাত

অনাবৃষ্টির কারণে চলতি মৌসুমে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ২৭০ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ করতে পারেননি কৃষকরা। কেবল বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে উপজেলার যেসব জমিতে প্রতিবছর আমনের আবাদ হতো সেসব জমি এবার অনাবাদি রয়ে গেছে। পাশাপাশি সারের মূল্যবৃদ্ধি, লোডশেডিং, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি ও শ্রমিকের মজুরি চাষিদের সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে।

উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের আড়কান্দি, পতিরাজপুর, দুবলাচারা ও আড়পাড়া, দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মারমী, সুলতানপুর গ্রামে সরেজমিন ঘুরে শত শত বিঘা অনাবাদি জমি দেখা যায়। চাষিরা জানান, এসব জমিতে প্রতিবছর ধানের আবাদ করা হতো। এবার অনাবৃষ্টির কারণে আবাদ করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ঈশ্বরদীতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৭৮৫ হেক্টর জমিতে। তার মধ্যে আবাদ হয়েছে ৩ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমি। ২৭০ হেক্টর জমি অনাবাদি রয়েছে।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বর্ষা মৌসুমের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩৬১ দশমিক ৬ মিলিমিটার। অথচ ২০২০ সালের একই সময়ে বৃষ্টিপাত হয় ৮৩৩ দশমিক ১ মিলিমিটার। এছাড়া ২০২১ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয় ১০৩১ দশমিক ৬ মিলিমিটার।

পতিরাজপুর গ্রামের কৃষক কবির মালিথ বলেন, প্রতিবছর আমি ২২ বিঘা জমিতে ধানের আবাদ করি। এবার মাত্র তিন বিঘা জমিতে ধান রোপণ করেছি। প্রায় ১৯ বিঘা জমি অনাবাদি পড়ে আছে। অনাবৃষ্টির কারণে ধান রোপণ করা সম্ভব হয়নি। জমি অনাবাদি থাকায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।মুলাডুলি ইউনিয়নের আড়কান্দি গ্রামের বালি কুকড়া বিলে প্রতিবছরই ২৩ বিঘা জমিতে ধানের আবাদ করেন রবিউল মালিথা। এবার অনাবৃষ্টির কারণে আট বিঘা জমিতে ধান রোপণ করতে পারেননি তিনি।

রবিউল বলেন, আমন মৌসুমে এই জমিগুলো বৃষ্টির পানিতে ভরপুর থাকে। সেচের কোনোদিন প্রয়োজন হয়নি। এবারই প্রথম অনাবৃষ্টির কারণে ধান রোপণ করা গেলো না। বিকল্প সেচের ব্যবস্থা করা সম্ভব না। কারণ ডিজেলের যে দাম মেশিনের পানি দিয়ে ধানের আবাদ করতে গেলে ব্যাপক লোকসান হবে। আমার মতো বহু কৃষকের জমি এবার অনাবাদি পড়ে আছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিতা সরকার বলেন, এ উপজেলায় কম বৃষ্টিপাতের কারণে ২৭০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা আমন ধানের আবাদ করতে পারেনি। এসব জমিতে ধান লাগাতে না পারলেও অনেক কৃষক মাসকলাই আবাদ করেছেন। এতে তারা কিছুটা হলেও ক্ষতি পুষিতে নিতে পারবে।
এ উপজেলায় আমনের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সামান্য কিছু ঘাটতি থাকতে পারে। কিন্তু পাবনা জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আমন আবাদ হয়েছে।

শেয়ার করুন...


এই বিভাগের আরো খবর........
.
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error: কপি করার অনুমতি নেই !
error: কপি করার অনুমতি নেই !